Share

রবিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৩

কোটিপতি হওয়ার সিঁড়ি - মিউচুয়াল ফান্ড ও শেয়ার বাজার

 

কৌন বনেগা ক্রোড়পতি - অমিতাভ বচ্চনের সেই টিভি শো এর কথা নিশ্চয়ই মনে আছে। কে না হতে চায় কোটিপতি যদি সুযোগ পাওয়া যায়। অমিতাভ বচ্চনের এই টিভি শো অনেককেই কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়েছিল, অনেকের স্বপ্ন সার্থক করেছিল। কিন্তু কোটিপতি হওয়ার এরকম সুযোগ কয়জনের পক্ষেই বা পাওয়া সম্ভব ? কিন্তু অনেকেই তো স্বপ্ন দেখেন কোটিপতি হওয়ার। সত্যই কি সেই স্বপ্ন পূরণের কোন সহজ রাস্তা আছে ? বিশেষ করে মধ্যবিত্ত বা নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষের পক্ষে কোটিপতি হাওয়া কি আদৌ সম্ভব ? এর উত্তর হচ্ছে সম্ভব। আর সেই স্বপ্নকে সম্ভব করে তোলার চমৎকার দুটি উপায় হচ্ছে শেয়ার বাজার ও মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করা। এটাকে অতি সহজ রাস্তা ভাবলে চলবে না। তবে খুব কঠিনও কিছু নয়। পরিশ্রম আর অধ্যবসায় আর ঐকান্তিকতা থাকলে শেয়ার বাজার আর মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের রাস্তাই আপনার কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন সত্যি করে দিতে পারে। তবে আনাড়ির মতো কিছু না জেনে না বুঝে চোখ কান বুজে মাঠে নামলে চলবে না। ধীর স্থির অধ্যবসায়ের মাধ্যমে এই বিষয়গুলোকে ভালো করে জেনে তারপর বিনিয়োগে নামতে হবে। আর আপনি যদি সঠিক জ্ঞান নিয়ে সঠিক কৌশলে বিনিয়োগ করেন তাহলে আপনার কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত হবে। এ বিষয়ে নিজে নিজে স্টাডি যেমন করা যায়, তেমনি কোর্সও করা যেতে পারে, আবার দক্ষ ও অভিজ্ঞ সঠিক পরামর্শদাতাদের সাহায্যও নেওয়া যেতে পারে। 

তবে কথা হল মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রে যেমন ভালো ফান্ডে বিনিয়োগ করতে হবে, তেমনি শেয়ার মার্কেটের ক্ষেত্রে ভালো শেয়ারে বিনিয়োগ করতে হবে এবং এই বিনিয়োগ হতে হবে অবশ্যই দীর্ঘস্থায়ী বা লঙ-টার্ম বিনিয়োগ। ভালো ফান্ডে ও ভালো শেয়ারে লং টার্ম বিনিয়োগে আপনার বিনিয়োগকৃত পয়সা বহু গুণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর এটাই হলো কোটিপতি হওয়ার ম্যাজিক ফর্মুলা। 

মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে হবে অবশ্যই ইকুইটি ফান্ডে। ইকুইটি ফান্ডে বিনিয়োগ বেশি ঝুঁকিপূর্ণ, আবার বেশি লাভজনক ও। ডেট ফান্ডে বিনিয়োগ করে কখনোই কোটিপতি হওয়া সম্ভব নয়। সেই সম্ভাবনার পথ খুলে দিতে পারে একমাত্র ইকুইটি ফান্ড। লার্জক্যাপ ফান্ড, মিডক্যাপ ফান্ড, স্মলক্যাপ ফান্ড, মাল্টিক্যাপ ফান্ড ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের ফান্ডে বিনিয়োগটাকে ডাইভারসিফাই করতে হবে। অর্থাৎ একই ধরনের ফান্ডে সব টাকা বিনিয়োগ না করে বিভিন্ন ধরনের ইকুইটি ফান্ডে বিনিয়োগটাকে ছড়িয়ে দিতে হবে। তাহলেই হবে কেল্লাফতে। আপনাকে ধৈর্য ধরতে হবে, অস্থির অধৈর্য হলে চলবে না। দু চার বছর পর আপনার বিনিয়োগকৃত মিউচুয়াল ফান্ডের গ্রোথ দেখলেই আপনি বুঝতে পারবেন যে ১০ বছর পর এটা কোথায় পৌঁছাবে।

একইভাবে শেয়ার বাজারেও আপনাকে বিভিন্ন রকমের শেয়ারে বিনিয়োগ করতে হবে। এই শেয়ারগুলো হতে হবে নামি কোম্পানির ভালো শেয়ার, যার গ্রোথ বেশি, যার ফান্ডামেন্টাল ভালো।

শেয়ারের ক্ষেত্রেও লার্জক্যাপ, মিডক্যাপ, স্মলক্যাপ ইত্যাদি সব ধরনের শেয়ারে বিনিয়োগ করতে হবে। ভালো শেয়ার কোনগুলো, কোনগুলো দীর্ঘ মেয়াদে অনেক বড় রকমের রিটার্ন দেবে সে বিষয়ে আপনাকে কিছুটা স্টাডি অবশ্যই করতে হবে। এটা কঠিন কিছু নয়। একটু খোঁজখবর নিলে, পড়াশোনা করলে বা চোখ কান খোলা রাখলে এটুকু জানতে বুঝতে খুব বেশি অসুবিধা হয় না। এ বিষয় নিয়ে চর্চা করতে করতে আপনি অবশ্যই অভিজ্ঞ হয়ে উঠবেন, পাকা খেলোয়াড় হয়ে উঠবেন। এ বিষয়ে আপনার পরিষ্কার স্বচ্ছ জ্ঞান, ঝুঁকি নেওয়ার সাহস, বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সঠিক কৌশলে বিনিয়োগ আপনাকে দ্রুত অল্প সময়ের মধ্যেও আপনার লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে পারে। 

তাই আপনার মনে যদি স্বপ্ন থাকে, নগণ্য মানুষ হিসেবে বেঁচে না থেকে ব্যতিক্রমী বড় কিছু করার চিন্তাভাবনা যদি আপনার মনের মধ্যে থাকে, তাহলে একদম দেরি না করে আপনার স্বপ্ন পূরণের অঙ্গীকার নিয়ে আপনি মাঠে নেমে যেতে পারেন। খেলতে খেলতে অবশ্যই আপনি একদিন বড় খেলোয়াড় হয়ে উঠবেন তাতে সন্দেহ নেই। তবে শুধু এটুকুই মনে রাখবেন, অন্ধকারে চোখ কান বুজে পথ চলবেন না, চোখ কান খোলা রেখে ভালো করে পথ চিনে চিনে সামনের দিকে এগিয়ে যান, আপনার লক্ষ্যে পৌঁছাবার স্বপ্নকে কেউ আটকে রাখতে পারবেনা। সাফল্যের মুকুট আপনার মাথায় উঠবেই।

রবিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৩

50 MA Breakout

 50 MA moving average strategy

এই ইন্ডিকেটারটি সুইং ট্রেডিং এর জন্য একটা মাস্টার ইন্ডিকেটর। সুইং ট্রেডিং এর জন্য এক ঘন্টা ও ডেইলি টাইম ফ্রেমে এই ইন্ডিকেটরটি ব্যবহার করে ট্রেড করলে লোকসান হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই, উপরন্তু বিপুল পরিমাণ প্রফিট তৈরির একটা নিশ্চিত সম্ভাবনা রয়েছে এই ইন্ডিকেটারটিকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারলে। আপনারা চেষ্টা করে দেখুন মাল্টি টাইম ফ্রেম অর্থাৎ এখানে এক ঘন্টা ও ডেইলি টাইম ফ্রেমে একসঙ্গে মিলিয়ে এই ফিফটি এমএ ইন্ডিকেটরটি নিজেরা ব্যবহার করে দেখুন। এর কার্যকারিতা নিজেরাই বুঝতে পারবেন।

দক্ষ ও অভিজ্ঞ ট্রেডাররা ৫০ এম এ মুভিং অ্যাভারেজ এর সাহায্যে সুইমিং ট্রেডিং করে থাকেন। প্রাইস মুভিং এভারেজকে ক্রস ওভার করলে এন্ট্রি নিতে হবে, অবশ্য প্রাইস আবার রিটেস্ট নিতে পারে, অর্থাৎ নিচে নেমে মুভিং এভারেজ থেকে আবার রিভার্স করতে পারে। তখনও এন্ট্রি করা যেতে পারে। আবার যখন দেখা যাবে প্রাইস ফিফটি মুভিং এভারেজ ব্রেক করে নিচে নেমে আসছে তখন এক্সিট নিতে হবে। নিচে একটা ছবি এঁকে আমি বুঝিয়ে দিচ্ছি- 





মঙ্গলবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২

ব্রেকআউট দিলো নিফটি Nifty gave a breakout rally

 মার্কেট এখন প্রচন্ড bullish. এর মধ্যেই নিফটি দিয়ে ফেলেছে ব্রেক আউট rally উইকলি টাইম ফ্রেমে। বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিওটি দেখুন


সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০

মঙ্গলবারের শেয়ার Stocks to buy on 15 Sept Tuesday

 আজকের মার্কেট স্ট্রং পজেটিভ নোটে শুরু হয়েছিল, মার্কেট ভালোই উঠেছিল। তাই প্রফিট বুকিংয়ের হিড়িক পড়ে যায়। ফলে শেষের দিকে মার্কেট নেগেটিভ এ চলে আসে। আগের দিনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, নির্ধারিত শেয়ারগুলো এর দাম আজ বেড়েছিল, সামান্য দু একটা ব্যতিক্রম ছাড়া। এটা স্বাভাবিক। সব হুবহু মেলেনা। মার্কেটের মতিগতি কোন মুহূর্তে কোন দিকে যাবে সেটা বলা সব সময় সম্ভব হয়না। কিন্তু বেশির ভাগটাই পূর্বাভাস অনুযায়ী হয়েছে। পূর্বাভাস এর সঙ্গে কারেন্ট নিউজ এবং যিনি ট্রেড করছেন তার উপস্থিত বুদ্ধি সব একসঙ্গে মিশিয়ে ট্রেডে যেতে হবে।

বাজারে কোন খারাপ খবর নেই। আমেরিকান মার্কেট ইউরোপিয়ান মার্কেট এবং এশিয়ান মার্কেট ভালোই দৌড়েছে আজ। গতকাল যে শেয়ার গুলির কথা বলেছিলাম, আগামিকালও তার মধ্যে কিছু শেয়ার ভালো দৌড়াবে।

আগামীকাল যে শেয়ারগুলি, শুধু আগামীকাল নয়, আগামীকাল এবং আগামী সপ্তাহ ব্যাপী যে শেয়ারগুলির দাম উপরের দিকে উঠবে বলে মনে হচ্ছে সেগুলো নিচে উল্লেখ করছি-

Manappuram

Tata chemicals

Asterdm

Deltacorp

Shankara

Tata motors

BDL

 Orientref

Radico

 SBI

 Midhani.

আজকের বাজারে লার্জক্যাপ এর তুলনায় মিডক্যাপ এবং স্মল ক্যাপ শেয়ারগুলি ভালো উঠেছে। এর কারণ মাল্টিক্যাপ ফান্ড এর ক্ষেত্রে SEBI'র নতুন নিয়ম। এই নিয়ম অনুযায়ী মিউচুয়াল ফান্ডের মাল্টি ক্যাপ ফান্ডে লার্জক্যাপ, মিডক্যাপ এবং স্মলক্যাপ শেয়ার প্রত্যেকটা কম করে ২৫ শতাংশ করে রাখতে হবে। এর ফলে মিডক্যাপ এবং স্মল ক্যাপ শেয়ারগুলি ভালো উঠেছে।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২০

সোমবার যে শেয়ারগুলো কিনবেন Share to buy on Monday

 আগামী সোমবার 14 ই সেপ্টেম্বর যে শেয়ারগুলো কিনলে শর্ট টার্মে ভাল প্রফিট তোলা যাবে সেগুলোর বিষয়ে আজ আলোচনা করব।

ভারত ও চীনের মধ্যে যে বর্ডারের টেনশন চলছিল সেই সংঘাত পর্ব খানিকটা শান্ত হয়েছে দু'দেশের বিদেশ মন্ত্রীর মধ্যে মস্কোতে আলাপ-আলোচনা চলছে এবং পাঁচটি পয়েন্টে এবার তারা নিজেদের মধ্যে একটা সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। ফলে বর্ডারের উত্তেজনা অনেকটা কমে এসেছে এর ফলে শেয়ারবাজারেও তার প্রভাব পড়েছে এবং শেয়ারবাজারে খানিকটা ডাউনট্রেন্ড থেকে আপট্রেন্ডে চলে এসেছে। এই সময়ে বর্ডারের যে উত্তেজনা চলছে তার কারণে যে শেয়ারগুলো বা অন্যান্য কারণে যে শেয়ারগুলো  ডাউনট্রেন্ড হয়েছিল নিচের দিকে নেমে গেছিল সেগুলো অনেকগুলো অনেকটা উঠতে শুরু করেছে। যে শেয়ারগুলো উঠতে শুরু করেছে সেই শেয়ারগুলো কি কি সেগুলো টেকনিক্যাল এনালাইসিস করে যেটা জানতে পারা যাচ্ছে বুঝতে পারা যাচ্ছে সেগুলো আপনাদের সামনে আমি আজ উপস্থাপন করব এবং শেয়ারগুলো সম্পর্কে বলব ।আপনারা সোমবারে শেয়ারগুলো কোন অবস্থাতে আছে সেটা দেখে নিয়ে সেগুলো আপনারা কিনবেন। এক বা একাধিক শেয়ায় বেছে নিতে পারেন। এবং একদিন বা এক সপ্তাহের মধ্যে আপনারা যদি দেখেন এটা প্রফিটে চলে এসেছে তাহলে আপনার এটা বিক্রি করে প্রফিট বুক করে নিতে পারেন। তাহলে সেই শেয়ারগুলো সম্পর্কে এখন আলোচনা করা যাক। নিচে শেয়ারগুলো আমি দিচ্ছি। সেগুলো আপনারা একটু দেখে নিতে পারেন-

Apollo hospital, Exide India, Laurus labs, Cadillac, Hindalco, Dabur, Marico, Infosys, HclTech, Manappuram, Tata chemicals, BDL, Yes Bank.

Manappuram এর দাম ব্যাপক বাড়তে পারে। ব্যাংক of America securities এর ফ্রান্সিসকো ব্লান্স বলেছেন, সোনার দাম এক আউন্স তিন হাজার ডলারের আশেপাশে পৌঁছে যেতে পারে, এখন যার দাম উনিশশো পঞ্চাশ পাউন্ড/আউন্স।

এছাড়া ভারত সরকার আগামী পাঁচ বছরের জন্য ক্যামিক্যাল প্রোডাক্ট আমদানির উপর যে শর্ত চাপিয়েছে তাতে Tata chemicals এর দাম তুঙ্গে উঠবে বলে মনে করা যায়।

বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২০

ইনভেস্ট করার এটাই উপযুক্ত সময় It is the right time to invest

It is the right time to invest
শেয়ার সূচকের গতি

করোনাভাইরাসের মহামারীর প্রকোপে চলছে দেশজুড়ে লকডাউন। বাজার-ঘাট, দোকানপাট, গাড়ি-ঘোড়া, কল-কারখানা, অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজ সব বন্ধ। অর্থাৎ সবকিছু স্তব্ধ হয়ে গেছে। মার্কেট বাজার গুলো স্তব্ধ হয়ে গেছে, বন্ধ হয়ে গেছে বিক্রি বাটা বা কমে গেছে। পরিবহনে যাত্রী নেই। সমস্ত সংস্থা কোম্পানি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান যাবতীয় সবকিছুই স্তব্ধ হয়ে গেছে, বন্ধ হয়ে গেছে। অর্থাৎ সেই সব প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসার ব্যবসা-বাণিজ্য লেনদেন সবকিছুই বন্ধ হয়ে গেছে দেশের অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাবে। এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে মুখ থুবড়ে পড়েছে। শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছে, দিনমজুররা বেকার হয়ে পড়েছে। কাজকর্ম নেই, ব্যবসা-বাণিজ্য নেই, কেনাকাটা নেই। আর্থিক লেনদেন বন্ধ। বড় বড় পুঁজিপতিরা ফ্ল্যাট তৈরি করে বসে আছে, কিন্তু খরিদ্দার নেই। শপিং মল বন্ধ। পোশাক-পরিচ্ছদ, দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিসপত্রের সব দোকানপাট বন্ধ। প্যাসেঞ্জার নেই। গাড়ি ঘোড়া চলছে না। পেট্রোল পাম্পে তেল নেওয়ার চাহিদা কমে গেছে, তেলের চাহিদা কমে গেছে। তেলের বাজার পড়ে গেছে। ট্রান্সপোর্টের বাজার পড়ে গেছে। বিমান চলছে না, তাই বিমান ব্যবসাতেও মন্দা। এই যে বিভিন্ন সেক্টর, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা বন্ধ হয়ে আছে বা কমে গেছে অনেকাংশেই, এর ফলে কি হচ্ছে ? প্রতিষ্ঠানগুলোর বা কোম্পানিগুলোর শেয়ার মার্কেটে শেয়ারের দাম অনেকটাই কমে গেছে। যে শেয়ারের দাম হয়তো দু-তিন মাস আগে 400 টাকা ছিল, তার দাম হয়তো এখন দেড়শ টাকা বা 200 টাকা। যে শেয়ারের দাম তিন হাজার টাকা ছিল সেই শেয়ারের দাম এখন হয়তো 1800 টাকা। ফলে এই শেয়ারগুলো এখন অনেক কম দামে কিনতে পাওয়া যাবে, এবং এখন কম দামে কিনে রাখলে লকডাউন যখন উঠে যাবে, মহামারী পার হয়ে যাবে, বাজারঘাট, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, আমদানি-রপ্তানি, পরিবহনব্যবস্থা,কলকারখানা,দোকানবাজার সবকিছুই যখন আবার স্বাভাবিক হয়ে যাবে তখন এই শেয়ার গুলোর দাম আবার বাড়বে। হয়তো দু তিন মাসের মধ্যে এই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসা যাবে। তখন শেয়ার গুলোর দাম হয়তো দ্বিগুণ বেড়ে যাবে। এখন কম দামে কিনে রাখা শেয়ারগুলো তখন বিক্রি করে দিলে অনেক বেশি টাকা লাভ করা যাবে। তাই হাতে যদি যথেষ্ট পরিমাণে টাকা থাকে, তবে তা খামোখা ব্যাংকে ফেলে না রেখে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করলে অনেক লাভবান হওয়া যাবে। তবে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ যেহেতু খুব ঝুঁকিপূর্ণ,তাই বুঝেশুনে পা ফেলতে হবে। কেবল সেই টাকাই বিনিয়োগ করুন যে টাকা চোট গেলেও আপনাকে বিশেষ ক্ষতির মুখে পড়তে হবে না। কিন্তু লাভ হলে সে টাকাতেই অনেক লাভ উঠে আসবে। আবশ্যক প্রয়োজনের টাকা শেয়ারবাজারে কখনোই বিনিয়োগ করবেন না।
বর্তমানে বাজার যে জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে তার থেকে আরো নীচে নামতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তাই হুটহাট বিনিয়োগ করে না বসে একটু সাবধানে এগোনো উচিত বলে মনে করি।